আহারস্ত্বপি সর্ব্বস্য ত্রিবিধো ভবতি প্রিয়ঃ।

যজ্ঞস্তপস্তথা দানং তেষাং ভেদমিমং শৃণু।।

৭। শরীর শুকিয়ে ফেলে ইন্দ্রিয়াদি সকলকে অচৈতন্য রেখে অর্থাৎ কূটস্হে না থেকে যে শরীরের মধ্যে আমিই আছি আমাকে এরূপ ক্লেশ দিয়া যে তপস্যা করে সে আসুরী তপস্যা হইতেছে অর্থাৎ ভাল নয়-সকাম।

সুখমাত্যন্তিকং যত্তদ্বুদ্ধিগ্রাহ্যমতীন্দ্রিয়ম্।

বেত্তি যত্র ন চৈবায়ং স্থিতশ্চলতি তত্ত্বতঃ।। ২১

২১। যেখানে সুখের অন্ত নাই-যে সুখ বুদ্ধির গ্রাহ্য নহে-ও ইন্দ্রিয়েরও গ্রাহ্য নহে-ক্রিয়ার পর অবস্থায় থেকে এই বস্তু এই-।।। ইহা বলিয়া জানিতে পারা যায় না- অথচ বায়ু স্থির রহিয়াছে অথচ চলিতেছে পঞ্চ তত্ত্বেতে-অর্থাৎ মূলাধার স্বাধিষ্ঠান মণিপুর অনাহত বিশুদ্ধাখ্য-কারণ তাহা না হইলে মরিয়া যাইত।

উপরোক্ত শ্লোক দুইটিতে যোগীরাজ লিখিত শ্রীমদ্ভাগবত গীতার ষষ্ঠ অধ্যায়ের ২১ তম শ্লোকটির যৌগিক বিশ্লেষণ করিতে যাইয়া যোগীরাজ কোন রূপ রাখঢাক না করিয়া সমাধিস্থ অবস্থায় দেহের কি অবস্থা ঘটে তাহা সাবলীল ভাষায় বুঝাইয়া দিয়েছেন। সমাধিবান ক্রিয়ান্বিতদের জন্য ইহা একটি অমূল্য পথনির্দেশ।

১৭ অধ্যায়ের ৬ নং শ্লোকের যোগীরাজ যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন তাহা সমস্ত স্তরের ক্রিয়া যোগীদের জন্য বিশেষতঃ গৃহস্থ ক্রিয়াযোগী দেয় জন্য একটি মূল্যবান ক্রিয়াত্মক (Practical) পথ নির্দেশ।

← Back

Thank you for your response. ✨

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!